শুক্রবার, ১২ Jun ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জনপদ পরিদর্শন করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ্ মুজাহিদ উদ্দিন ও পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন। এ সময় তারা সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মিয়ানমারের ছোঁড়া একটি মর্টার শেল ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপাড়ার মোশাররফের বসতভিটার আম গাছে ধাক্কা লেগে মাটিতে আছড়ে পড়ে। ইউনিয়নটির ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় হতাহত না হলেও শেলটির স্প্লিন্টারের আঘাতে একটি বাড়ির জানালার কাঁচ ফুটো হয়ে যায়। এরপর দুপুরে মিয়ানমারের দিক থেকে আসা একটি গুলি প্রথমে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ছিটকে এসে সৈয়দ আলম নামের এক ব্যক্তির কপালে আঘাত লাগে। এতে তার মাথার সামনের অংশ ফেটে যায় বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা প্রশাসকের গোপনীয় শাখা) রাজীব কুমার বিশ্বাস। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তঘেঁষা জনপদগুলোর মানুষের নিরাপত্তার জন্য দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সীমান্তবর্তী একাধিক পাড়ার কমবেশি দেড়শ পরিবারের মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় অবস্থান নিয়েছেন।
মঙ্গলবার জলপাইতলীতে মর্টারশেলের আঘাতে নিহত নারীর স্বামীর হাতে নগদ আর্থিক অনুদান দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় আহত শিশুর চিকিৎসা ব্যয় বহনের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।